খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২০ কার্তিক, ১৪৩৩

জেন্ডার সমতা এগিয়ে নিতে বাউবির উপাচার্যের সঙ্গে MAGENDA দলের সাক্ষাৎ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩:০৩ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
জেন্ডার সমতা এগিয়ে নিতে বাউবির উপাচার্যের সঙ্গে MAGENDA দলের সাক্ষাৎ

ছবিতে বাউবির উপাচার্যের সঙ্গে MAGENDA দলের সাক্ষাৎ

যোগফল প্রতিবেদন :

 

ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে পরিচালিত MAGENDA (Mainstreaming Gender Equality in Academia) প্রকল্পের একটি প্রতিনিধি দল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি) পরিদর্শন করেছে। এ সময় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা বাউবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। 


সাক্ষাৎকালে প্রকল্পের অগ্রগতি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রমে জেন্ডার সমতা ও জেন্ডার-সংবেদনশীলতা আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা হয়।


সভায় MAGENDA প্রকল্পের আওতায় বাউবিতে বাস্তবায়নাধীন জেন্ডার ইকুয়ালিটি প্ল্যান (GEP), সক্ষমতা বৃদ্ধি, সচেতনতা ও কমিউনিটি ক্যাম্পেইন, শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ততা, প্রাতিষ্ঠানিক নীতি প্রণয়ন এবং বিভিন্ন কার্যক্রমে জেন্ডারকে মূলধারায় অন্তর্ভুক্ত করার অগ্রগতি তুলে ধরা হয়। Erasmus+ Capacity Building in Higher Education-এর আওতাধীন এ প্রকল্পটি বাংলাদেশ ও নেপালের বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে যৌথভাবে বাস্তবায়ন করছে।


উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে বলেন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের জেন্ডার ইকুয়ালিটি প্ল্যান নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। 


বাউবির ব্যবস্থাপনার সব ক্ষেত্রে জেন্ডার বিষয়কে মূলধারায় নিয়ে আসার জন্য আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন, জেন্ডার সমতাকে শুধু একটি প্রকল্পের কার্যক্রম হিসেবে দেখলে হবে না; বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন, একাডেমিক কার্যক্রম, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা, শিক্ষার্থী সেবা ও প্রাতিষ্ঠানিক পরিচালনার সব ক্ষেত্রেই বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তিনি MAGENDA প্রকল্পের আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রশংসা করে আশা প্রকাশ করেন, এ প্রকল্প বাউবিতে দীর্ঘমেয়াদি প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


এ সময় উপাচার্য নেপালের কাঠমান্ডু বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিতব্য MAGENDA প্রকল্পের চূড়ান্ত সম্মেলনে ‘Mainstreaming Gender Equality in Academia’ বিষয়ে মূল বক্তব্য (Keynote Address) দেওয়ার বিষয়ে সম্মতি জানান। তাঁর এ অংশগ্রহণ উচ্চশিক্ষায় জেন্ডার সমতা বিষয়ে আঞ্চলিক পর্যায়ে অভিজ্ঞতা বিনিময়ে বাউবির ভূমিকা আরও জোরদার করবে বলে আশা করা হয়।


সভায় ইউরোপীয় অংশীদার প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি বাউবিতে প্রকল্প বাস্তবায়নের অগ্রগতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অঙ্গীকারের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, জেন্ডার ইকুয়ালিটি প্ল্যান বাস্তবায়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রমে জেন্ডার সমতা অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে বাউবির অঙ্গীকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। উন্মুক্ত ও দূরশিক্ষণ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে বাউবির অভিজ্ঞতা এ অঞ্চলের অন্যান্য উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্যও মূল্যবান হতে পারে।


MAGENDA প্রতিনিধি দল বাউবির মিডিয়া সেন্টার পরিদর্শন করে শিক্ষামূলক মিডিয়া কনটেন্ট তৈরি ও ডিজিটাল শিক্ষার বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত হয়। জেন্ডার সচেতনতা, শিক্ষামূলক কনটেন্ট তৈরি এবং প্রচার-প্রচারণায় বাউবির মিডিয়া অবকাঠামো ব্যবহারের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।


সভায় বাউবির প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আনিসুর রহমান, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলাম, MAGENDA প্রকল্পের প্রকল্প ব্যবস্থাপক ওপেন স্কুলের অধ্যাপক ড. সাবিনা ইয়াসমিন, প্রকল্পের গবেষক কৃষি ও পল্লী উন্নয়ন স্কুলের ডিন অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলাম এবং ডেপুটি প্রজেক্ট ম্যানেজার ওপেন স্কুলের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমানসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।


যোগফল | অনলাইন | নিউজ ডেস্ক 

পীরগঞ্জে "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) অনুষ্ঠিত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পীরগঞ্জে  "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) অনুষ্ঠিত

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

মো. আরফান আলী | পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি 

পীরগঞ্জে গুড নেইবারস বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে ‘চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৪ নভেম্বর বুধবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে পীরগঞ্জে শিশুদের সূরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গুড নেইবারস বাংলাদেশ, পীরগঞ্জ সিডিপির (Pirganj CDP) আয়োজনে "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) শীর্ষক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বারে  প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল—"শিশুর সুরক্ষা, আমাদের অঙ্গীকার"।  

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম রাব্বানী সরদার এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেণ ঠাকূরগাঁও -৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুর রহমান,  সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জিয়াউর ইসলাম জিয়া, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জিন্নাতারা ইয়াসমিন, প্রমুখ।

​অনুষ্ঠানে বক্তারা শিশুদের নিরাপত্তা, অধিকার এবং তাদের সুরক্ষায় সমাজের সকল স্তরের মানুষকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। এ সময় স্থানীয় বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধি, আয়োজক সংস্থার কর্মকর্তা, সুধীবৃন্দ এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

পাইকগাছায় নাশকতা, জু/য়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় নাশকতা, জু/য়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

ছবিতে গ্রেফতারকৃরা

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে নাশকতা, জুয়া ও অন্যান্য মামলায় মোট ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে ও বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।

থানা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের গড়েরআবাদ এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এসআই নুরে আলমের নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ফোর্স অভিযান চালিয়ে টাকার বিনিময়ে তাস খেলার সময় ছয়জনকে আটক করে। এ সময় জুয়ার টাকা ও খেলার সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন-মৃত আবতাপ গাজীর ছেলে রশিদ গাজী (৫৫), আবুল কাসেমের ছেলে আমিরুল (৩৮), মৃত সামাদের ছেলে সফিকুল (৬০), জব্বার গাজীর ছেলে আব্দুর রহমান, জনাব মোল্লার ছেলে খানজাহান মোল্লা (৬২) এবং জামান মোল্লার ছেলে সাইফুল (৩৫)। এ ঘটনায় পাইকগাছা থানায় জুয়া আইনে মামলা হয়েছে। মামলার নম্বর ৪/২৬।

এদিকে, মঙ্গলবার রাতে নগরশ্রীরামপুর গ্রামের আব্দুল মজিদ হাজরার ছেলে হরিঢালী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মুজাহিদুল হাজরা (৪৮) এবং বুধবার সকাল ১১টার দিকে গদাইপুর ইউনিয়নের রফিকুল ইসলামের ছেলে ছাত্রলীগের সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মো. ফারজাহান পারভেজ ওরফে রুমি (২৫)-কে নাশকতা মামলায় আটক করা হয়েছে বলে জানিয়ে পুলিশ।

অন্যদিকে, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে পরোয়ানাভুক্ত ও অন্যান্য মামলায় আরও ছয়জনকে আটক করা হয়েছে।

পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবির আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মাদক ও জুয়া নির্মূলে পুলিশ সুপারের কঠোর নির্দেশনা বাস্তবায়নে পাইকগাছা থানা পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করছে।

সিরাজগঞ্জে এসআরবি-১২ এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সিরাজগঞ্জে এসআরবি-১২ এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

ছবিতে অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ

মনজুরুল ইসলাম ।। সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

আত্মসমর্পণকারী চরমপন্থীদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ১০৩টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটেলিয়ন (এসআরবি-১২)। উদ্ধার করা সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ১ হাজার ১৩৬ রাউন্ড তাজা গুলি, ১৫টি ম্যাগাজিন, ৯৫টি দেশীয় অস্ত্র ও ৮টি ওয়াকিটকি সেট। তিন জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্যের আত্মসমর্পণের পর তাঁদের দেওয়া তথ্য এবং নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় এসআরবি-১২-এর সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বাহিনীর অধিনায়ক অতিরিক্ত আইজিপি আতিকুর রহমান মিয়া।

তিনি জানান, গত রোববার (১ নভেম্বর) এসআরবি-১২-এর পৃষ্ঠপোষকতায় সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও রাজবাড়ী জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্য আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার অঙ্গীকার করেন। তাঁদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য ও বাহিনীর নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চালানো হয়।
এসআরবি-১২ অধিনায়ক বলেন, সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, উল্লাপাড়া ও সলঙ্গা এবং পাবনা জেলার সাঁথিয়া ও আতাইকুলা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।

উদ্ধার করা ১০৩টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রের পাশাপাশি ১ হাজার ১৩৬ রাউন্ড তাজা গুলি, ১৫টি ম্যাগাজিন, ৯৫টি দেশীয় অস্ত্র এবং ৮টি ওয়াকিটকি সেট উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এসব আগ্নেয়াস্ত্রের ধরন, উৎস ও সংশ্লিষ্ট অপরাধী চক্র সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়নি।
আত্মসমর্পণে নতুন প্রত্যাশা।

এর আগে ১ নভেম্বর দুপুরে এসআরবি-১২-এর সদর দপ্তরে ‘নতুন পথে প্রত্যাবর্তন—চরমপন্থি সর্বহারা সদস্যদের আত্মসমর্পণ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিন জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্য আত্মসমর্পণ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মিজ্ ফারজানা শারমিন।
আত্মসমর্পণকারীরা চরমপন্থী কর্মকাণ্ড থেকে সরে এসে স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ণ জীবনে ফেরার অঙ্গীকার করেন। তাঁদের পুনর্বাসন ও সমাজের মূলধারায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগও এ কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।

দীর্ঘদিন ধরে চরমপন্থী তৎপরতার ইতিহাস রয়েছে এমন জনপদে অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার রোধ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। আত্মসমর্পণকারীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধারের এ অভিযান ওই অঞ্চলে অবৈধ অস্ত্রের সন্ধান ও অপরাধী নেটওয়ার্ক শনাক্তের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে চরমপন্থীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের সমন্বিত উদ্যোগ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা জোরদার করেছে।